এইচএসসি ICT শর্ট প্রশ্ন ও উত্তর | HSC ICT Short Suggestion 2025
এনকোডার একটি ডিজিটাল সার্কিট যা একাধিক ইনপুটকে নির্দিষ্ট বাইনারি কোডে রূপান্তর করে।
ডিকোডার একটি লজিক সার্কিট যা কোডেড ইনপুটকে পূর্ণ আউটপুটে রূপ দেয়।
সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হলো কতটি ভিন্ন অঙ্ক সেখানে ব্যবহৃত হয়।
১ এর পরিপূরক: প্রতিটি বিট উল্টানো।
২ এর পরিপূরক: ১ এর পরিপূরকে ১ যোগ করা। অর্থ্যাৎ কোনো বাইনারি সংখ্যার ১ কে ০ এবং ০ কে ১ দিয়ে পরিবর্তন করে(বা ১ এর পরিপূরক) নিয়ে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, তার সাথে ১ যোগ করে যে বাইনারি সংখ্যা গঠন করা হয় তা হচ্ছে ২ এর পরিপূরক।
বুলিয়ার অ্যালজেবরায় ব্যবহৃত কোনো রাশির মান যদি শুধুমাত্র ০ বা ১ নিদর্েশ করে তবে তাকে বুলিয়ান ধ্রুবক বলে। অর্থ্যাৎ বুলিয়ান ধ্রুবক হলো স্থির মানবিশিষ্ট ০ বা ১।
অ্যাডার একটি লজিক সার্কিট যা বাইনারি সংখ্যা যোগ করে।
কোড হলো তথ্য উপস্থাপনের ডিজিটাল পদ্ধতি। যেমন: ASCII, BCD।
রেজিস্টার হলো প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা দ্রুতগতির মেমোরি ইউনিট।
ফ্লিপ ফ্লপ হলো বাইস্টেবল সার্কিট যা এক বিট তথ্য ধারণ করে।
NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলে, কারণ এদের দ্বারা যেকোনো গেইট তৈরি করা যায়।
সত্যক সারণি হলো একটি টেবিল যা ইনপুট-আউটপুট সম্পর্ক দেখায়।
বুলিয়ান বীজগণের এমন নিয়ম যা প্রমাণ ছাড়া সত্য বলে ধরা হয়।
সংখ্যা পদ্ধতি হলো সংখ্যাকে লেখার কাঠামোগত নিয়ম।
বিট হলো তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক যা ০ বা ১ হতে পারে।
যে সকল গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ অন্যান্য সকল প্রকার গেইট তৈরি বা বাস্তবায়ন করা যায় সেসব গেইট হচ্ছে সার্বনীন গেইট।
Radix Point হলো সংখ্যার পূর্ণ ও ভগ্নাংশের বিভাজক বিন্দু।
BCD কোড: Binary Coded Decimal. প্রতি দশমিক সংখ্যার জন্য ৪-বিট বাইনারি কোড।
ASCII: American Standard Code for Information Interchange. অক্ষর উপস্থাপনে ব্যবহৃত ৭-বিট কোড।
EBCDIC: Extended Binary Coded Decimal Interchange Code. IBM ব্যবহৃত ৮-বিট কোড।
Unicode: Universal Character Encoding Standard. বিশ্বব্যাপী ভাষার জন্য একক কোডিং পদ্ধতি।
উপপাদ্য হলো গণিত বা যুক্তির এমন একটি বক্তব্য যা প্রমাণযোগ্য।
0 মন্তব্যসমূহ