১. শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধ্যবসায়, নৈতিকতা, শিষ্টাচার এবং জীবনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা।
২. অভিভাবকদের জন্য সহায়ক দিকনির্দেশনা প্রদান করা, যাতে তারা সন্তানদের সুন্দর মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হন।
৩. শিক্ষকগণকে উৎসাহিত করা—তাঁদের ভূমিকা কেবল পাঠদানে সীমাবদ্ধ নয়, বরং একজন মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে তাঁদের দায়িত্ব কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা তুলে ধরা।
৪. বাস্তবভিত্তিক গল্প, শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা, অনুপ্রেরণামূলক লেখা এবং মানবিক মূল্যবোধে পরিপূর্ণ কনটেন্টের মাধ্যমে পাঠকদের মানসিক ও নৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।
৫. একটি ভার্চুয়াল পাঠশালা তৈরি করা—যেখানে হৃদয় দিয়ে শেখা এবং হৃদয় দিয়ে শেখানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
0 মন্তব্যসমূহ