পাঠ ৪: আবার পড়ি কারচিহ্ন | তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বই

বাংলা বর্ণমালায় কারচিহ্ন শেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এই পাঠে আমরা কারচিহ্ন কী, তার ব্যবহার ও প্রভাব শিখব। এটি বাংলা ভাষার সঠিক উচ্চারণ ও বানান শেখার জন্য অপরিহার্য।

কারচিহ্ন কী?

কারচিহ্ন হলো বাংলা স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ যা ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে উচ্চারণে সাহায্য করে। যেমন:

  • আ → া (আ-কার)
  • ই → ি (ই-কার)
  • ঈ → ী (ঈ-কার)
  • উ → ু (উ-কার)
  • ঊ → ূ (ঊ-কার)
  • এ → ে (এ-কার)
  • ঐ → ৈ (ঐ-কার)
  • ও → ো (ও-কার)
  • ঔ → ৌ (ঔ-কার)

কারচিহ্নের উদাহরণ:

কিছু সাধারণ উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:
ক + ি = কি
গ + ী = গী
ঘ + ু = ঘু
প + ো = পো
ব + ৌ = বৌ

কারচিহ্ন কেন শিখব?

কারচিহ্ন শেখার উপকারিতা:

  • সঠিক বানান শিখতে সাহায্য করে
  • উচ্চারণ পরিষ্কার হয়
  • পড়াশোনায় দক্ষতা বাড়ে

অনুশীলনী ১: বর্ণ সাজিয়ে শব্দ লিখি

নিচের অক্ষরগুলো সঠিকভাবে সাজিয়ে শব্দ তৈরি করো:

  • সাখো       → খোসা।
  • নিসজি     → জিনিস।
  • টলেকচ   → চকলেট।
  • আমকীল → আমলকী।
  • রজামন   → রমজান।
  • থিবীপৃ      → পৃথিবী।
  • কদৈনি     → দৈনিক।
  • টাকৌ       → কৌটা।
  • খাদেনাশো → দেখাশোনা।

পরামর্শ: শিক্ষার্থীরা শব্দ সাজানোর সময় বাংলা বানানের উপর বিশেষ মনোযোগ দিবে। এটি তাদের শব্দজ্ঞান বাড়াতে সাহায্য করবে।

উপসংহার

কারচিহ্ন বাংলা ভাষা শেখার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ছোটবেলা থেকেই যদি কারচিহ্ন ভালোভাবে শেখা যায়, তাহলে ভাষা ব্যবহারে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং লেখালেখিতে উন্নতি হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ