গল্প: তিথির নিঃশব্দ মা
ছোট্ট তিথি ক্লাস থ্রির ছাত্রী। সারাদিন হাসিখুশি থাকলেও, স্কুল ছুটির পর তার চোখে একটা নিরবতা জমে থাকে। একদিন শিক্ষক পলি ম্যাম তাকে আলতো করে জিজ্ঞেস করলেন, "তিথি, তোমার মা কি তোমায় স্কুল থেকে আনতে আসে না?"
তিথি মাথা নিচু করে বলল, “না ম্যাম, মা অসুস্থ। কাজ করে ক্লান্ত হয়ে ঘুমায়… আমি নিজেই হাঁটতে হাঁটতে আসি।”
পলি ম্যাম কিছু বললেন না, শুধু তিথির হাতটা নিজের মুঠোয় ধরলেন।
পরের দিন মা দিবসে স্কুলে সব শিক্ষার্থীরা মায়ের জন্য চিঠি লিখছিল। তিথি লিখল—
“প্রিয় মা,
তুমি কখনো আমার হাত ধরে হাঁটো না,
কিন্তু আমি জানি,
তুমি আমার জন্য সব পথ উজাড় করে দাও।
তুমি কখনো আমার পাশে বসে পড়াও না,
কিন্তু জানি,
তোমার ক্লান্ত চোখ আর নিঃশব্দ নিঃশ্বাসে আমার ভবিষ্যৎ তৈরি হচ্ছে।”
চিঠিটা পড়ে শিক্ষক পলি ম্যাম নিঃশব্দে চোখ মুছলেন। সেইদিন সবাই তিথির মাকে ডেকে এনে স্কুলের মঞ্চে দাঁড় করালেন, বললেন, “এই মা আমাদের চোখে একজন নায়িকা — যিনি নিঃশব্দে সন্তান গড়েন।”
শেষবার্তা (Call-to-Action):
👉 এই মা দিবসে, চলুন শুধুমাত্র উপহার নয়, কিছু অনুভবও দেই — মায়ের নিঃশব্দ ভালোবাসার মূল্য দিই।
📌 কমেন্টে লিখুন, আপনার জীবনের সবচেয়ে মায়াবী মায়ের স্মৃতি কোনটা?
#মা_দিবস২০২৫
#মায়ের_ভালোবাসা
#মায়ের_গল্প
#নিঃশব্দ_আত্মত্যাগ
#মাকে_স্মরণ
#বাংলা_গল্প
#মা_ও_সন্তান
#মা_হৃদয়ের_পাঠশালা
#মানুষ_গড়ার_ডায়েরি
#MothersDay2025
#MothersLove
#UnspokenSacrifice
#BanglaMothersDay
#HeartTouchingStory
#MotherChildBond
#InspirationalStory
#RespectMothers
#MothersDaySpecial

0 মন্তব্যসমূহ