🧭 সন্তানের সফলতা শুধু তার মেধার উপর নির্ভর করে না—অভিভাবকের দায়িত্বশীল দিকনির্দেশনাও একটি বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে সময় ব্যবস্থাপনায় বাবা-মায়ের সহযোগিতা শিশুর ভবিষ্যৎ গড়তে সহায়ক হতে পারে। নিচে এমন ৫টি করণীয় তুলে ধরা হলো:
১. 🎯 নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন
প্রতিদিন পড়াশোনা, খাওয়া, ঘুম, খেলাধুলা—সবকিছুর একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি বানিয়ে দিন। শিশুদের মানসিক স্থিরতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ গড়ে তুলতে এটি অপরিহার্য।
২. 📵 প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত রাখুন
মোবাইল, টিভি বা গেম—এসব সময় খেয়ে ফেলে। অভিভাবকের উচিত নির্ধারিত সময় ছাড়া এই জিনিসগুলো এড়িয়ে চলতে শেখানো।
৩. 👨👩👧 একসাথে সময় দিন
শুধু পড়ার সময় বললে হবে না—পাশে বসুন, বুঝিয়ে দিন আপনি তার সময়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন। এতে শিশুর আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ বাড়ে।
৪. ⏳ বিশ্রামের গুরুত্ব বোঝান
শুধু পড়া নয়—শিশুর পর্যাপ্ত ঘুম, খেলা ও অবসর সময় প্রয়োজন। ব্যস্ততা বাড়িয়ে দিলে সে সময়ের প্রতি বিতৃষ্ণ হয়ে পড়তে পারে।
৫. 🌱 শেখাতে শেখান সময়ের মূল্য
বয়স অনুযায়ী ছোট ছোট দায়িত্ব দিন—যেমন সময়মতো খাওয়া, ব্যাগ গুছানো। এতে সে বুঝতে শিখবে কোন কাজে কত সময় ব্যয় হবে।
✨ শেষ কথা:
সময়ের ব্যবস্থাপনা শেখা কোনো একদিনের কাজ নয়। কিন্তু বাবা-মায়ের সহানুভূতি, পর্যবেক্ষণ ও ধারাবাহিক অনুশীলন সন্তানের জীবনে শৃঙ্খলা আনতে পারে। মনে রাখবেন, শিশুরা যেমন দেখে তেমনই শেখে—তাই আগে নিজেই হোন সময়ের প্রতি সচেতন।

0 মন্তব্যসমূহ